c7c7 শুধু একটি নাম নয়। এটা এমন কিছু মানুষের স্বপ্নের ফল যারা বিশ্বাস করতেন — বাংলাদেশের মানুষেরও বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার অধিকার আছে, নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট সিস্টেমে।
আমাদের গল্প
২০২০ সালের কথা। তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং একটু একটু করে জনপ্রিয় হচ্ছিল, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ইংরেজিতে। পেমেন্ট করতে হলে আন্তর্জাতিক কার্ড লাগত, বাংলায় সাহায্য পাওয়া যেত না এবং ছোট ডিপোজিটে খেলার সুযোগ ছিল না। c7c7-এর প্রতিষ্ঠাতা দলটি এই সমস্যাগুলো নিজেরাও অনুভব করেছিলেন।
সেখান থেকেই জন্ম নেয় c7c7-এর ধারণা। লক্ষ্য ছিল একটাই — এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বানানো যেটা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষও সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। bKash দিয়ে ডিপোজিট, বাংলায় সম্পূর্ণ ইন্টারফেস, ৩G সংযোগেও মসৃণ পারফরম্যান্স — এই তিনটি জিনিস মাথায় রেখে c7c7 তৈরি শুরু হয়।
প্রথম বছরে শুধু কয়েক হাজার ব্যবহারকারী ছিলেন। কিন্তু মুখে মুখে c7c7-এর কথা ছড়িয়ে পড়ল। মানুষ দেখলেন যে এখানে টাকা রাখলে সত্যিই ফেরত পাওয়া যায়, সাপোর্টে বাংলায় কথা বলা যায়, এবং পেআউট সময়মতো হয়। বিশ্বাস একবার তৈরি হলে সেটা দ্রুত ছড়ায় — আজ c7c7-এর পরিবারে পাঁচ লক্ষেরও বেশি সদস্য।
"আমরা প্রথম দিন থেকেই বিশ্বাস করতাম — বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাংলাদেশের মতো করে তৈরি প্ল্যাটফর্মই টিকবে। সেই বিশ্বাস আজ প্রমাণিত।"
— c7c7 প্রতিষ্ঠাতা দলমাইলফলক
কেন c7c7
প্রতিটি সিদ্ধান্তে আমরা বাংলাদেশের ব্যবহারকারীর কথা ভাবি — ভাষা থেকে প্রযুক্তি, পেমেন্ট থেকে নিরাপত্তা।
মেনু থেকে পেমেন্ট গাইড — সব কিছু সরল বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও c7c7 ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা নেই। গ্রাহক সেবাও বাংলায়।
বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে তাৎক্ষণিক ডিপোজিট। আন্তর্জাতিক কার্ড ছাড়াই সুবিধামতো লেনদেন।
আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং মানের এনক্রিপশন, দুই স্তরের লগইন ও প্রতি তিন মাসে তৃতীয় পক্ষের সাইবার অডিট।
গড় উইথড্র সময় মাত্র ১১ মিনিট — বাজারের সবচেয়ে দ্রুত। সার্ভার রেসপন্স ১ সেকেন্ডের কম, ৩G-তেও মসৃণ।
প্রতিটি গেমের ফলাফল স্বাধীন RNG দ্বারা নির্ধারিত। কোনো কারসাজি নেই — ফলাফল যাচাই করার সুযোগ আছে।
লাইভ চ্যাট, ইমেইল ও ফোনে সবসময় বাংলায় সাহায্য পাওয়া যায়। গড় প্রতিক্রিয়া সময় ৩ মিনিট।
মূল্যবোধ
c7c7-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে কিছু অটুট নীতি কাজ করে। এগুলো শুধু কাগজে লেখা নয় — প্রতিদিনের কাজে প্রতিফলিত।
কোনো লুকানো শর্ত নেই। বোনাস থেকে পেমেন্ট — সব কিছু আগে থেকেই স্পষ্ট করা থাকে।
ব্যবহারকারীর তথ্য ও অর্থের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আপোস নেই।
c7c7 একটি কমিউনিটি। প্রতিটি ব্যবহারকারীর মতামত আমাদের প্রোডাক্ট উন্নয়নে ব্যবহার হয়।
প্রতি মাসে নতুন ফিচার, নতুন গেম, নতুন সুবিধা — c7c7 কখনো থামে না।
বিস্তারিত পরিচয়
c7c7 একটি সমন্বিত অনলাইন গেমিং ইকোসিস্টেম। একদিকে আছে স্লটস, লাইভ ক্যাসিনো, লটারি ও স্পোর্টস বেটিং — অন্যদিকে আছে নিরাপদ পেমেন্ট সিস্টেম, লয়্যালটি প্রোগ্রাম ও বাংলায় সাপোর্ট। এই সবকিছু একটি প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়।
প্রযুক্তির দিক থেকে c7c7 বিতরণ করা সার্ভার নেটওয়ার্কে চলে, যার ফলে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সংযোগ দ্রুত হয়। প্রতিটি গেম স্বাধীন RNG-এ চলে এবং নিয়মিত তৃতীয় পক্ষের অডিটে পাস করে। তাই ফলাফলে কোনো হেরফের করার সুযোগ নেই।
c7c7-এ যোগ দেওয়া একেবারে বিনামূল্যে। নিবন্ধন করে প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পাওয়া যায়। প্রতি সপ্তাহে রিলোড বোনাস, ক্যাশব্যাক ও নতুন গেম লঞ্চ বোনাস — c7c7 তার সদস্যদের সবসময় কিছু না কিছু দেওয়ার চেষ্টা করে।
দেশের ৬৪ জেলায় c7c7-এর ব্যবহারকারী আছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী থেকে শুরু করে কুড়িগ্রাম, বান্দরবান, সুনামগঞ্জ — সব জায়গায় মানুষ c7c7-এ খেলছেন। গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বল হলেও c7c7 চলে, কারণ অ্যাপটি কম ডেটায় চালানোর জন্য অপ্টিমাইজ করা।
c7c7 শুধু ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য। প্রতিটি নিবন্ধনে বয়স যাচাই করা হয়।
আমাদের দল
c7c7-এর পেছনে আছে একটি নিবেদিত দল যারা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের গেমিং অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে।
c7c7-এ মোট ১৫০+ জন কর্মী কাজ করছেন — প্রযুক্তি, ডিজাইন, সাপোর্ট, পেমেন্ট ও নিরাপত্তা বিভাগে।
c7c7 বিশ্বাস করে গেমিং আনন্দের জন্য — আর্থিক চাপ তৈরির জন্য নয়। তাই ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও সেশন টাইমারের মতো টুলস সব ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত। ১৮ বছরের নিচে কেউ c7c7 ব্যবহার করতে পারবেন না — প্রতিটি নিবন্ধনে বয়স যাচাই করা হয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা