দ্বিতীয়ত, পাসওয়ার্ড কখনো সরাসরি ডেটাবেজে সংরক্ষিত হয় না — bcrypt হ্যাশিং দিয়ে রাখা হয়, ফলে c7c7-এর কোনো কর্মীও আপনার পাসওয়ার্ড জানতে পারেন না। তৃতীয়ত, প্রতি ৬ মাসে তৃতীয় পক্ষের স্বাধীন নিরাপত্তা অডিট হয়।
আর্থিক নিরাপত্তার দিক থেকে — c7c7 ব্যবহারকারীদের জমা রাখা অর্থ আলাদা সুরক্ষিত অ্যাকাউন্টে রাখা হয়, কোম্পানির পরিচালনা খরচের সাথে মেশানো হয় না। আপনার উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট দেওয়া মাত্র সেই নির্দিষ্ট পরিমাণ লক হয়ে যায় — প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটা অন্য কোথাও যায় না।
অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য প্রোফাইল সেটিংস থেকে দুই স্তরের প্রমাণীকরণ (2FA) চালু করুন — প্রতিবার লগইনে মোবাইলে OTP আসবে, ফলে পাসওয়ার্ড কেউ জানলেও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না। c7c7 কখনো ফোনে বা মেসেজে পাসওয়ার্ড বা OTP চায় না — কেউ চাইলে সেটা প্রতারণার চেষ্টা।
কীভাবে কাজ করে: টুর্নামেন্ট চলাকালে নির্দিষ্ট গেমে বাজি ধরলে প্রতিটি বাজির ভিত্তিতে পয়েন্ট জমা হয়। লিডারবোর্ডে যত উপরে থাকবেন, পুরস্কার তত বড়। সাধারণত শীর্ষ ১০ থেকে ১০০ জন পুরস্কার পান — প্রথম স্থানে সাধারণত সর্বোচ্চ ক্যাশ পুরস্কার বা বোনাস ক্রেডিট থাকে।
গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম: টুর্নামেন্টের মেয়াদ, যোগ্য গেম ও পয়েন্ট গণনার পদ্ধতি প্রতিটি ইভেন্টে আলাদা হতে পারে — শুরুর আগে বোনাস সেকশনে টুর্নামেন্টের বিস্তারিত শর্ত পড়ুন। পয়েন্ট সাধারণত বাজির পরিমাণ অনুযায়ী হয়, জয়-পরাজয় অনুযায়ী নয়। পুরস্কার সাধারণত টুর্নামেন্ট শেষের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যালেন্সে যোগ হয়। চলমান টুর্নামেন্টের তালিকা c7c7 অ্যাপের "প্রমোশন" বা "বোনাস" সেকশনে পাওয়া যায়।
ডেইলি চেকইন: প্রতিদিন একবার c7c7 অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগইন করে "চেকইন" বাটনে ক্লিক করলে একটি পুরস্কার পাবেন। প্রথম দিনে ছোট পুরস্কার, কিন্তু টানা চেকইন করলে সংখ্যা বাড়ার সাথে পুরস্কারও বাড়তে থাকে। ৭ দিন টানা চেকইন করলে একটি বিশেষ পুরস্কার আনলক হয় — এটা সাধারণত ফ্রি স্পিন বা ক্যাশ বোনাস হয়। একদিন মিস হলে কাউন্ট আবার ১ থেকে শুরু হয়।
ফ্রি স্পিন: ফ্রি স্পিন সাধারণত তিনভাবে পাওয়া যায়: ডেইলি চেকইন পুরস্কার হিসেবে, ডিপোজিট বোনাসের অংশ হিসেবে বা নির্দিষ্ট স্লট গেমের প্রমোশনে। ফ্রি স্পিন সাধারণত নির্দিষ্ট গেমে ব্যবহার করতে হয় এবং একটি মেয়াদ থাকে — সাধারণত ৭২ ঘণ্টা। ফ্রি স্পিন থেকে জেতা টাকায় ওয়েজারিং শর্ত থাকে, উইথড্রয়ালের আগে সেটা পূরণ করতে হয়।
বোনাস সেকশনে গেলে আপনার জন্য বর্তমানে কী কী অফার চালু আছে সেটা দেখতে পাবেন।
বেটিং অপশনগুলো: ম্যাচ উইনার (কোন দল জিতবে), টস উইনার, প্রথম ইনিংসের রান, হাফ-টাইম রেজাল্ট, টপ ব্যাটসম্যান, টপ বোলার, সেশন রান ওভার/আন্ডার — এই ধরনের অনেক মার্কেট পাওয়া যায়।
ইন-প্লে বেটিং: ম্যাচ চলাকালে লাইভ বেটিং করার সুযোগ আছে — প্রতিটি ওভার বা উইকেটের পর অডস আপডেট হয়। "লাইভ" ট্যাবে চলমান ম্যাচগুলো দেখা যায়।
বাজি ধরার ধাপ সহজ: ম্যাচ বেছে নিন → মার্কেট বেছে নিন → টাকার পরিমাণ দিন → "বেট স্লিপ" চেক করুন → কনফার্ম করুন। ইন্টারফেস সম্পূর্ণ বাংলায়, তাই বুঝতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। লাইভ স্কোর ও পরিসংখ্যান একই পেজে দেখা যায়।
স্লটস: বেশিরভাগ স্লট গেমে ন্যূনতম ৳১০ থেকে বাজি ধরা যায়। কিছু ক্লাসিক স্লটে ৳৫ থেকেও শুরু করা সম্ভব।
লাইভ ক্যাসিনো: লাইভ ব্ল্যাকজ্যাক, বাকারা ও রুলেটে টেবিলভেদে ন্যূনতম ৳৫০ থেকে ৳২০০ পর্যন্ত ভিন্ন হতে পারে। VIP টেবিলে সীমা বেশি।
স্পোর্টস বেটিং: একটি বাজির ন্যূনতম পরিমাণ ৳২০। একসাথে একাধিক বাজি (পার্লে/অ্যাকুমুলেটর) করলেও প্রতিটি লেগে ন্যূনতম ৳২০।
লটারি: একটি টিকেটের দাম ৳১০ থেকে শুরু — সবচেয়ে কম বাজেটে অংশগ্রহণের সুযোগ এখানে।
সর্বোচ্চ বাজির পরিমাণ অ্যাকাউন্ট স্তর ও গেমের ওপর নির্ভর করে। ডিপোজিট লিমিট নিজে সেট করলে সেটাও সর্বোচ্চ সীমাকে প্রভাবিত করে।
লাইভ চ্যাট (সবচেয়ে দ্রুত): ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন চালু। c7c7 অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের যেকোনো পেজে নিচের ডান কোণে চ্যাট আইকনে ক্লিক করলেই শুরু হয়। গড়ে ১-২ মিনিটের মধ্যে সাড়া পাওয়া যায়। জরুরি পেমেন্ট সমস্যা, লগইন সমস্যা বা গেম সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে লাইভ চ্যাটই সবচেয়ে কার্যকর।
ইমেইল: support@c7c7.best — জটিল অভিযোগ, KYC সংক্রান্ত বিষয় বা বিস্তারিত ব্যাখ্যার দরকার হলে ইমেইলে যোগাযোগ করুন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর পাওয়া যায়। ইমেইলের বিষয়ে সমস্যার ধরন লিখলে দ্রুত সমাধান হয়।
সাহায্য কেন্দ্র: c7c7-এর সাহায্য কেন্দ্র পেজে সাধারণ সমস্যার ধাপে ধাপে সমাধান গাইড পাওয়া যায় — সরাসরি মানুষের সাথে কথা না বলেও অনেক সমস্যা নিজে নিজেই সমাধান করা যায়।
c7c7 সাপোর্ট টিম কখনো পাসওয়ার্ড, পিন বা OTP চায় না — এই ধরনের তথ্য চাওয়া হলে সেটা প্রতারণার চেষ্টা।
সময়: bKash, Nagad ও Rocket-এ উইথড্রয়ালের গড় সময় মাত্র ১১ মিনিট। ব্যস্ত সময়ে বা বড় পরিমাণে (৳৫০,০০০-এর বেশি) সময় একটু বেশি লাগতে পারে — সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা। ক্রিপ্টোতে সাধারণত ১ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়।
ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ: ন্যূনতম উইথড্রয়াল ৳৫০০। সর্বোচ্চ সীমা অ্যাকাউন্ট যাচাই (KYC) স্তরের ওপর নির্ভর করে — KYC সম্পন্ন না হলে বড় উইথড্রয়ালে অতিরিক্ত যাচাই চাওয়া হতে পারে।
শর্ত: বোনাস ব্যালেন্স থেকে উইথড্রয়ালের আগে সেই বোনাসের ওয়েজারিং শর্ত পূরণ করতে হবে। ক্যাশ ব্যালেন্স থেকে সরাসরি তোলা যায় — কোনো শর্ত নেই। উইথড্রয়াল যে মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর থেকে ডিপোজিট করেছেন সেখানেই যাবে — নতুন নম্বরে পাঠাতে চাইলে KYC যাচাই করে নম্বর আপডেট করতে হবে।